বুধবার, ১৫ Jul ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
প্রতিনিধি আবশ্যক: অনলাইন পত্রিকা আমার সুরমা ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন : ০১৭১৮-৬৮১২৮১, ০১৭৯৮-৬৭৬৩০১
সংবাদ শিরোনাম :
সুনামগঞ্জের আট উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত দিরাইয়ে পাওয়া গেছে নিষিদ্ধ সাকার ফিসের অস্বিস্ত দিরাইয়ে বিশেষ অভিযানে ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ দিরাই প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে নবাগত ওসির মতবিনিময়: দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দিরাইয়ে পঞ্চায়েতি বিচারের নামে রাষ্ট্রবিরোধী আইন: নিরাপত্তাহীনতায় বহু পরিবার লন্ডনে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় বক্তাগণ: মুহাদ্দিস হবিগঞ্জী ছিলেন এ শতাব্দীর বিরল প্রতিভা ও ক্ষণজন্মা মহাপুরুষ দিরাই উপজেলা ও পৌর বিএনপিকে অবগত না করেই সংবাদ সম্মেলন: মিশ্র প্রতিক্রিয়া হাফিজ সৈয়দ নাঈমের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের প্রতিবাদ জানিয়েছে ইউ.কে হেফাজত ব্যাহত হচ্ছে কাজের গতি: সুনামগঞ্জের ১২টি উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার পদগুলো শূণ্য দিরাইয়ে নিজের নাম পরিবর্তন করে প্রতারণার মাধ্যমে পিতার সম্পতির জবর দখল, বঞ্চিত ভাই-বোনেরা: মামলা-পাল্টা মামলায় নিঃস্ব জাহির আলী

দশ বছরেই পরিবারের হাল ধরেছে ইয়াছিন

amarsurma.com

মুহাম্মদ আব্দুল বাছির সরদার:
‘করোনার জন্য স্কুল বন্ধ, পরিবারে অভাব, তাই ফুল বিক্রি করছি’-এক মুহূর্তেই বলে দিল ১০ বছরের ইয়াছিন মিয়া। দরিদ্র পিতার সাথে সে ও তার ১২ বছরের বোন লুৎফা বেগম (১২) এক সাথে স্থানীয় দিরাই বাজারে ফুল বিক্রি করছে বলেও জানায়।
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার তাড়ল ইউরিয়নের বুরহানপুর গ্রামের দরিদ্র দিলোয়ার হোসেনের ছেলে ইয়াছিন নিজের বাড়ির উৎপন্ন মিষ্টিলাউ গাছের ফুল বিক্রি করে অভাব-অনটনে থাকা পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা ফেরাতে সহযোগিতা করছে।
যে বয়সে অন্য ছেলেদের সাথে স্কুলে যাওয়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও চিত্ত বিনোদনে থাকার কথা, সে বয়সে পিতার সাথে ধরেছে সংসারের হাল! বর্তমানে স্কুল বন্ধ থাকায় সেই সুযোগটি কাজে লাগাচ্ছে ইয়াছিনের মতো অসংখ্য ছোট্ট শিশুরাও।
সে আরও জানায়, নিজেদের বাড়ি নেই, চাচার বাড়িতে থাকে এবং তার পিতা চাচার বাড়িতে শ্রমিক হিসেবে কৃষি কাজ করছে। তার মা জাকিরুন বেগমও সংসারের কাজ সামলে নিয়ে সবজি করার পাশাপাশি বিভিন্ন বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে। তাদের পরিবারে মা-বাবা, ২ ভাই ও ২ বোনসহ ৬ জনের সংসার। তাই বাধ্য হয়েই তাদের মা সুযোগ করে তাদেরকে দিরাই বাজারে পাঠিয়ে দেয় মিষ্টি লাউয়ের ফুল বিক্রি করতে।
ইয়াছিন আরও জানায়, বাড়ি থেকে অনেক দূরে স্কুল হওয়ায় তারা নিয়মিত যায় না। সে ভাঙ্গাডহর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় ও তার বোন চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017-2019 AmarSurma.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com